This is a premium alert message you can set from Layout! Get Now!

Robyn Eden

Product Manager
Lorem ipsum, or lipsum as it is sometimes known, is dummy text used in laying out print, graphic or web designs.
3/related/default

Our Top Notch Services

We're providing various types of services along with web development solution and digital marketing services. We care about our customers requiremnets ans their budget.

Technical Support

Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since. Lorem Ipsum is simply dummy text.

Contact Info

The word is derived from the ancient Greek marketing Missile Template is Designed Theme for Giving Enhanced look.

User Development

Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since. Lorem Ipsum is simply dummy text.

Isabella Ayla

Designer & Expert

Digital Marketing

Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since. Lorem Ipsum is simply dummy text.

Jasmine Erin

Digital Blogger
Lorem ipsum, or lipsum as it is sometimes known, is dummy text used in laying out print, graphic or web designs.

World Best Digital Marketing Statergey Here !

Missile Template is Designed Theme for Giving Enhanced look Various Features are available Which is designed in User friendly to handle by Piki Developers. This is Great Portfolio Look and Landing Page Effect on Scrolling top to bottom, donwload now this template and use on your blog.

Our Happy Clients

See here Best Testimonials from our Clients giving their best feedback on using our Services. We always work hard and good satisfied customers relationship not only this our services are best in every way and each categories like Web Devlopement & Web Desiging

Meet Our Team

Here are our some best Team Partners with their skills to provides you a Great Service Expereince. We have Completed various milestone on the achievemnts of Service experice to our happy and satisfied customers.

Recent Blog Posts

Read our Recent Posts that we published recently we hope you will get some amazing information and our developed projects details.

Want to Share About Your Project

Let's Talk About your Project, And Share your creative idea with our team. We will Provide best Resolution Service for you with a best customer expirence Yes, I want to Share

Our Team Achievements

Find out what makes us an interactive and better where you can trust and start work with us. We offer individual solutions for different projects

Our Completed Work

We believe our work speaks for itself when somebody start working with us. Browse our best loved projects by our Satisfied Customers giving best Testimonial feedbacks.

Health Advice

6/block/recent

আমিন ব্লগ

আমার ভাবনায় যা কিছু আসে তা লিখে ফেলি। কবিতা, ছড়াকাব্য, প্রবন্ধ লিখতে পছন্দ করি। জীবনে বয়ে যাওয়া ছোট-বড় ঘটনাগুলো লিখে রাখাকে ভুল মনে করি না, এও ভাবি না যে- অনাগত কাল তা কিভাবে গ্রহণ করবে! মনে ও চোখে ভেসে ওঠা নীতিকথাগুলো লিখতে ভুল করি না। আমার ডাইরীর পাতা, সেলফোন ও ল্যাপটপ যেনো কথা কয় অবিরত! লেখালেখি করাটা আমার খুবই পছন্দনীয়, এক রকম নেশায় পরিণত হয়েছে। আবার পছন্দ বললেও কিছুটা ভুল হবে, অনেকটা লেখার প্রয়োজনেই লিখি। প্রয়োজনটা হলো- ভাবনাগুলো যাতে হারিয়ে না যায় ও অনাগত কাল যেনো আমার ভাবনার সাক্ষী থাকে।

Zoe Imogen

UX Designer
Lorem ipsum, or lipsum as it is sometimes known, is dummy text used in laying out print, graphic or web designs.

Contact form

Name


Message*

Johan Deo

Web Developer

Sophia Amber

Products Manager

আমিন ব্লগ - Amin Blog

- মুহাম্মাদ আল-আমিন খান, লেখক ও গ্রন্থকার
আমিন ব্লগ - Amin Blog

1023

Total Awards Won

5400

Projects Completed

আমিন ব্লগ: যে লেখা পড়েননি আগে

ভালোবাসি বাংলার মা, মাটি ও মানুষকে। এই বাংলার প্রকৃতি ও জনপদের অপরূপ রূপ-বৈচিত্রে মুগ্ধ হয়ে আমি ভুলে যাই প্রিয়তমার রূপের মুগ্ধতাকে। ভালোবাসি ৭১- এ রক্তের বিনিময়ে পাওয়া আমার প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশকে। আমি কথা বলি বাংলায়, চিন্তা করি বাংলায়, পড়ি বাংলায়, স্বপ্নও দেখি এই বাংলায়‌। এ সকল কিছুই লিখে রাখি বাংলাতে। আমি ভালোবাসি আমার প্রিয় মায়ের শেখানো ও ভাইয়ের বুকের রক্ত দিয়ে কেনা এই বাংলা ভাষাকে। তাই তো প্রিয় বাংলার মর্যাদা রক্ষার স্বার্থে বলতে চাই- যা কিছু লিখি তা যেন সত্য ও সুন্দর হয়।

Daisy Hannah

UI Designer
Lorem ipsum, or lipsum as it is sometimes known, is dummy text used in laying out print, graphic or web designs.

মা-বাবাকে স্ত্রী কাছে রাখতে ও সেবাদান করতে না চাইলে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর শর্ত

Muhammad Al-Amin Khan, Editor in Chief of BA, BJN, AB
0

মা-বাবাকে স্ত্রী কাছে রাখতে ও সেবাদান করতে না চাইলে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর শর্ত

- মুহাম্মাদ আল-আমিন খান

আমি আগেই উল্লেখ করেছি শ্বশুর-শাশুড়ির খেদমত স্ত্রীর ফরজ কর্তব্য নয় বরং তা ছেলের জন্য ফরজ। শরীয়ত সরাসরি পুত্রবধূর ওপর শ্বশুর-শাশুড়ির খেদমতের দায়ভার অর্পণ করেনি বরং তা পরোক্ষ ভাবে করেছে। কোনো স্ত্রী যদি স্বামীকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় অথবা তার কাজে কর্মে আচরণে প্রকাশ পায় যে শ্বশুর-শ্বাশুড়িকে কাছে রাখতে পারবে না বা তাদের কাছে গিয়ে থাকতে পারবে না অথবা মা-বাবার সেবা যত্ন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়, তাহলে সে স্ত্রীর জন্য আমি বিকল্প কতগুলো পথ উল্লেখ করছি-

আপনার স্বামী আপনার সন্তানদের সুখ-শান্তিতে রাখার জন্য সারাদিন ভবঘুরের মতো ব্যস্ত সময় পার করেন। তার সেই পরিশ্রমের মূল্য কৃতজ্ঞতার মাধ্যমে দিতে হলেও আপনি তার বাবা-মায়ের সেবা করতে পারেন। এটা করলে আপনার স্বামী নিশ্চিন্তে নির্ভাবনায় রোজগারে মন দিতে পারবেন। তার ঘরের মা-বাবার সেবা করা নিয়ে তার চিন্তা থাকবে না। এই খেদমত করার মানে এই নয় যে, আপনি নিজের অস্তিত্ব বিসর্জন করে দিচ্ছেন। বরং নিজের মা-বাবার মতো একই পরিবারে শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে মিলেমিশে থাকছেন। প্রয়োজন মতো তাদের ভালোবাসা সাহায্য সহযোগিতা করছেন, এইতো? একজন স্বামী তার স্ত্রীর জন্য জীবনে অনেক কিছু করেন। তাই স্বামীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটা সুযোগ তৈরি হয় তার বাবা-মায়ের খেদমত করলে।

আপনি আপনার স্বামীর ঘর সংসারের জিম্মাদার। আর আপনার স্বামীর পরিবারের অন্যতম অংশীদার হলেন তার মা-বাবা। স্বামীর সম্পদ, স্বামীর মান-সম্মান, স্বামীর বিশ্বাস-ভালোবাসার আমানত রক্ষা করা ফরজ। সরাসরি তার মা-বাবার খেদমত-যত্ন করা আপনার জন্য ফরজ না হলেও পরোক্ষভাবে তার অমূল্য ধন বাবা-মার দেখাশোনা করা আপনার উপর কোন ভাবেই ফরজ থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তার সেই জিম্মাদারি রক্ষার স্বার্থে হলেও তার বাবা-মার খেদমত করা উচিত। তার জিম্মাদারি আপনি রক্ষা করতে না পারলে আপনি তার স্ত্রীর মর্যাদা কিভাবে ধরে রাখবেন?

আপনি যদি তার মা-বাবার সেবা করতে না চান তাহলে স্বামীর কর্মস্থলে মা-বাবাকে পাঠিয়ে দিতে পারেন। অথবা মা-বাবার জন্য আলাদা বাসস্থান নির্ধারণ করে দিতে পারেন, সেখানে সন্তান তাদের আলাদাভাবে ভরণপোষণ দিয়ে সেবা যত্ন নিজে গিয়ে করবেন। না হয়তো অন্য কোনো আত্মীয় স্বজনের মাধ্যমে করাবেন। তাহলে আপনার স্বামীর আয়ের একটা অংশ অন্য সংসারে চলে যাচ্ছে। অন্য আত্মীয়-স্বজনের হাতে চলে যাচ্ছে। সেটা যদি না চান তাহলে নিজ হাতেই খেদমত করতে হবে আপনাকে।

সেটাও সম্ভব না হলে আপনার স্বামী তার মা-বাবা যেখানে থাকেন সেখানে চলে যেতে পারেন তাদের খেদমতের স্বার্থেই। সেখান থেকে এসে এসে আপনাদের খোঁজ খবর রাখবেন। আপনাদের সাথে আপনার স্বামী না থেকে মা-বাবার কাছে থাকবে, আপনি দূরে আলাদা থাকবেন। সেটা যদি আপনি মেনে নিতে না পারেন তাহলে আপনার স্বামীর মা-বাবাও যদি তাদের সন্তানকে কাছে থাকতে না পারার বিষয়টা মেনে নিতে না পারে? যেহেতু স্ত্রী হিসেবে আপনার মর্যাদা যেমন, মা-বাবা হিসেবে তাদের মর্যাদাও কোনো অংশে কম নয়। স্বামীর প্রতি আপনার অধিকার যেমন, সন্তানের প্রতি মা-বাবার অধিকারও তো কোন অংশে কম নয়তাহলে আপনার স্বামী আপনার কাছে থাকবে নাকি তার বাবা-মার কাছে থাকবে? একজন ব্যক্তির দুই দিকে থাকা সম্ভব নয়। তাই আপনার স্বামীকে কেন্দ্র করে আপনি এবং আপনার শ্বশুর-শাশুড়ি সবাই একত্রে বসবাস করুন।

সেটাও সম্ভব না হলে এক বা একাধিক সেবিকা, কাজের মেয়ে রেখে দিতে পারেন যারা আপনার শ্বশুর-শ্বাশুড়ির সেবা-যত্ন করবেন রান্নাবান্না করে খাওয়াবেন। সেখানে আপনার স্বামীর অতিরিক্ত ব্যয় বেড়ে যাবে। তখন সে সকল সেবিকাদের সাথে আপনার স্বামীর যোগাযোগ রাখা জরুরি হয়ে পড়বে। কিন্তু প্রায় ক্ষেত্রে এই সকল সেবিকাদের দ্বারা আপনার স্বামী ফেৎনায় জড়িয়ে যেতে পারে। এজন্য ফেতনার আশঙ্কা থাকা যেহেতু অসম্ভব নয়, তাই সে সকল সেবিকাদের কোন একজনকে আপনার স্বামী স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে মা-বাবার খেদমত করাতে পারেন।

সবচেয়ে ভালো হয় আপনার স্বামীকে দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতি সন্তুষ্ট চিত্তে প্রদান করবেন। তাহলে সে দ্বিতীয় স্ত্রীকে আপনার শ্বশুর-শ্বাশুড়ির কাছে রেখে দিলেন আর আপনি আপনার স্বামীর কাছে থাকলেন। পুরুষদের বলছি- আপনার স্ত্রী আপনার মা বাবার সাথে মিলেমিশে থাকতে না পারলে আপনি দ্বিতীয় বিয়ের পথ বেছে নিবেন। দ্বিতীয় স্ত্রীকে উত্তম মর্যাদা দানের মাধ্যমে আপনার বাবা-মার সাথে থাকার জন্য নসিহত করবেন। তবে এখানে দ্বিতীয় স্ত্রীকেও বাবা-মার খেদমতের শর্ত দিয়ে বিয়ে করা বা তাকে খেদমত করতে বাধ্য করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া শরীয়ত সম্মত হবে না। তবে তাকে বাবা -মার কাছে রেখে দিতে পারেন। নিশ্চয়ই দ্বিতীয় স্ত্রী তার শ্বশুর-শ্বাশুড়িকে পরিত্যাগ করার মতো ধ্যান ধারণা সম্পন্ন হবে না। কারণ সবাই সমান হয় না। প্রথম স্ত্রী আলাদাই থাকুক, দ্বিতীয় স্ত্রী বাবা-মার কাছে থাকুক। এ বিষয়টাই ভালো হয়।

৭। তাও যদি সম্ভব না হয় তাহলে একজন স্ত্রী কি চায় তার স্বামী বাবা-মার ভরণপোষণ দিবে না? বাবা-মাকে দূরে তাড়িয়ে দিবে? তাদের কাছে থাকবে না? সরাসরি আপনি হয়তো বলবেন- আমি চাইনা। কিন্তু আপনার আচরণ যদি হয় নেতিবাচক তাহলে আপনার স্বামী মা-বাবারকে বঞ্চিত করে তার অস্তিত্ব ও শিকড়কে যেমন অস্বীকার করলো, তেমনি জান্নাত লাভের সুযোগ হারাবে। মা বাবার দুঃখ-কষ্টে আপনার আয় রোজগারে বরকত কমে যাবে। আপনার সন্তানেরা শিখবে কিভাবে আপনি শ্বশুর-শাশুড়িকে বঞ্চিত করেছেন। ঘুরেফিরে আপনার সন্তানরা ঠিক আপনাদের বৃদ্ধকালে সেই ব্যবহারটাই উপহার দিবে, যেটা আপনি আজ আপনার শশুর-শাশুড়ি সাথে করছেন। বিষয়গুলো যদি এরকম না হোক সেটা চান, তাহলে শ্বশুর-শাশুড়িকে কাছেই রাখুন।

৮। শ্বশুর-শাশুড়ির খেদমত, ভরণপোষণ ও কাছে থাকা- এগুলো আপনার পক্ষে সম্ভব না হলে আপনি স্বেচ্ছায় স্বামীকে তালাক দিয়ে দিন। খোলা তালাক করুন। তারপর অন্যত্র বিয়ে বসুন। দেখুন সেখানে হয়তো এমন হতে পারে শশুর-শাশুড়ি নেই। তাদের আপনার খেদমত, ভরণপোষণ করা লাগছে না। এমন একটা পরিবেশ খুঁজুন। সেটাই বোধহয় আপনার মতন স্ত্রীর জন্য মানানসই হবে।

পুরুষদের বলবো- আপনার স্ত্রী যদি আপনার দুটো হাতের এক হাতকে কেটে, দুটো চোখের এক চোখে উপড়ে ফেলে দিয়ে বাকি এক চোখ, বাকি এক হাত নিয়ে আপনাকে বাঁচিয়ে রাখতে চায়, তাহলে সে আধা মরা জীবন আপনার জন্য সত্যি কষ্টকর। তাই আপনি আপনার স্ত্রীকে অচিরেই তালাক দিয়ে দিন। নিশ্চয়ই পরবর্তীতে এমন কোনো স্ত্রী আপনার ঘরে আসবে যে হবে সত্যিকার অর্থে সতি-স্বাধ্বী রমণী। শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি কর্তব্য পরায়ণ, কোরআন হাদিসের অনুসারী। তাকে আর নানাভাবে বোঝাতে হবে না। সে স্বেচ্ছায় আপনার মা-বাবার সেবা যত্ন ভরণপোষণের মাধ্যমে তার স্বামীর জান্নাত নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হবেন। পাশাপাশি নিজের ভবিষ্যৎকেও সুগম করবেন।

এই লেখাটির উৎসবই: আপন সম্পর্ক-১

লেখক: মুহাম্মাদ আল-আমিন খান
প্রকাশক: সনেট লাইব্রেরী

ঘোষণা: আমি মুহাম্মাদ আল-আমিন খানলেখক ও গ্রন্থকার। আমার লেখা বইসমূহ থেকে বিভিন্ন আর্টিক্যাল প্রকাশের একমাত্র ক্ষেত্র হলো এই ওয়েবসাইট (aminblog.com)। আমার লেখা বইসমূহ হলো: ১. এগারো তারিখের ইতিহাস২. শাশুড়ি-পুত্রবধূর লড়াই৩. ব্যক্তিক যৌননীতি৪. নিষিদ্ধ প্রেম৫. আপন সম্পর্ক-১৬. সারাহলিপি৭. বিয়ে ও জীবন৮. স্বামীর শৃঙ্খলে স্ত্রী৯. মানুষ ও মন১০. ছোট ছোট কথা১১. কবিতা সমগ্র১২. ব্যক্তিক স্বাস্থ্যনীতি১৩. আমার বিয়ে ও সুবর্না, ১৪. আপন সম্পর্ক-২, ১৫. সুলতানার জীবনে আমি, ১৬. সারাহ ও জারা। আরো রয়েছে…। উল্লেখিত বইসমূহ থেকে বিভিন্ন আর্টিক্যাল এই ব্লগ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সকল লেখনি লেখকের ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনাঅভিজ্ঞতা ও দর্শনের ভিত্তিতে রচিত। প্রকাশিত কোন লেখনীর একটি বাক্যও অন্য কোন লেখকের লেখনী থেকে চুরি করা নয়এআই দ্বারা জেনারেট নয়। এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখনি লেখক ও ওয়েব এডমিন মুহাম্মাদ আল-আমিন খান কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Amin Blog এর কোনো লেখনি থেকে সম্পূর্ণ অথবা আংশিক কপি করে সোশ্যাল মিডিয়া ও অন্য কোনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা যাবে না। কোনো লেখনি ভালো লাগলে ও প্রয়োজনীয় মনে হলে এই ওয়েবসাইট থেকেই তা পড়তে পারেন অথবা ওয়েব লিংক শেয়ার করতে পারেন। গুগল সার্চ থেকে দেখা গেছে যে- বহু লেখনী কতিপয় ব্যক্তি নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছেন, যা সম্পূর্ণরূপে কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন। ভবিষ্যতে আবারও এমনটি হলে প্রথমত গুগলের কাছে রিপোর্ট করা হবে ও দ্বিতীয়ত তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই কপিরাইট আইনের আওতায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে সকলের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে Amin Blog এ প্রকাশিত কোনো লেখনি আপনার ভালো না-ও লাগতে পারে, প্রয়োজনে আপনি এর সমালোচনা কমেন্টের মাধ্যমে করতে পারেন। বাক স্বাধীনতা, চিন্তার বহিঃপ্রকাশ করার অধিকার ও লেখালেখি করার অভ্যাসের জায়গা থেকে লেখক ও সম্পাদক যা ইচ্ছা তাই লিখতে পারেন। তবে তিনি তার যেকোনো লেখনির ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন যাতে করে শালীনতা বজায় রাখা যায় এবং অন্যের ধর্মীয় অনুভূতি, মূল্যবোধ ও অধিকারের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়।

- মুহাম্মাদ আল-আমিন খান

Post a Comment

0 Comments
Post a Comment

Made with Love by

Material UI Template is Designed Theme for Giving Enhanced look Various Features are available Whic…
To Top